যশোরে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়া বানানোর অভিযোগ

af-15যশোরে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়া বানানোর অভিযোগে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের মালিক, ম্যানেজার ও নার্সকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলা সদরের বসুন্দিয়া মোড়ের মহুয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিক থেকে ভুক্তভোগীসহ তাদের আটক করা হয়

।আটকরা হলেন— মহুয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিকের মালিক খলিলুর রহমান, তার ভাই ম্যানেজার ইউনুস আলী ও রাজিয়া সুলতানা ওরফে হাবিবা নামের এক নার্স। ঘটনার শিকার ওই ব্যক্তি বরগুনা সদরের ধোপাদী গ্রামের বাসিন্দা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্লিনিকের মালিক খলিলুর রহমানের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন। তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ওই যুবক এক বছর আগে পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়া হন। এখন তার নাম শান্তা। তার প্রস্রাবের নালিতে জ্বালাপোড়া করায় তিনি বৃহস্পতিবার চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, পুরুষাঙ্গ কেটে যুবককে হিজড়া বানানোর ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ক্লিনিকের বিষয়টি সিভিল সার্জনকে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সদর উপজেলার বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেন জানান, মহুয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিকে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কেটে হিজড়া বানানো হয়েছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। সেখান থেকে ক্লিনিক মালিক, ম্যানেজার ও নার্সকে আটক করা হয়েছে। আর লিঙ্গ পরিবর্তনের পর শান্তা নাম রাখা হিজড়াকে উদ্ধার করা হয়।

এসআই সোহরাব হোসেন আরো জানান, এর আগেও এই ক্লিনিকে এমন ঘটনা ঘটেছে।  ক্লিনিকটিতে কোনো ডাক্তার নেই। তারা ক্লিনিক খুলে মানুষকে প্রতারিত করছে। এই ক্লিনিকে এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে মালিক খলিলুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়

Facebooktwittergoogle_pluspinterestlinkedin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *